"৭১ নম্বর গুলশান এভিনিউ" বইটিতে লেখা ফ্ল্যাপের কথা: রাস্তায় নামলাম। অভিজাত এলাকা বলে কথা। এত কিছুর পরেও বড়লােকী আবহাওয়ার কিছুটা নিজের গায়েও এসে লাগছে। মন খারাপের ব্যাপারটা আগেই বলেছি পেন্সিলে আঁকা। আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে। সামান্যই তাে মানবজীবন, কেউ গাছতলে সুখী, কেউ প্রাসাদোপম বাড়িতেও নিঘুম। একদিন দেখা গেল সবার একটাই ঠিকানা মাত্র সাড়ে তিন হাত। কেউ একজন বলেছিলেন মেজাজকে ভারসাম্য বিন্দুতে আনতে হলে উল্টো শতকিয়া পড়াও একটা ট্রিটমেন্ট হতে পারে। যেমন, একশ থেকে শুরু– একশ, নিরানব্বই, আটানব্বই, সাতানব্বই...। শতকিয়া রেখে উল্টো দিকে হাঁটাও যেতে পারে। আমার গন্তব্যের দিকে সােজা হাঁটলে গুলশান এক নম্বর গােলচত্বর। আমি দুই নম্বরের দিকে হাঁটা শুরু করলাম— কী আশ্চর্য! মন ভালাে হতে শুরু করেছে।