“আছে তো দেহখানি" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ
কামনা দুর্মর, কাম অপ্রতিরােধ্য। প্রেমের পরিণতির নামই তাে সিদ্ধকাম। সম্ভোগেচ্ছা চরিতার্থতার জন্য দুটো দেহ লাগে। নারীশরীর আর পুরুষদেহ। দেহে দেহে কত আঁকবাক। কামকেলিতে দেহভাজ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কামের সঙ্গে অনুরাগ যুক্ত হলে সৌন্দর্য। উদ্ভাসিত হয়।
হরিশংকর জলদাসের দেহনির্ভর গল্পগুলােতে এই সৌন্দর্যের মুক্তি ঘটেছে। গ্রন্থবদ্ধ গল্পে অবশ্যই নরনারীর দেহ প্রধান হয়ে উঠেছে। তবে এটাও বলার যে, গল্পগুলােতে মানবমন, সমাজ, ধর্মবিশ্বাস, রাজনীতি-এসবও অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হয়েছে।
হরিশংকরের গল্পের বিষয় সবসময় অন্যরকম, প্রচলিত ধারার বাইরে। তার উপস্থাপনা, ভাষাবৈচিত্র্য সর্বদাই আকর্ষণীয়।
‘মােহনা’, ‘ঢেন্ডেরি’, যমুনাজলে বিবরসন্ধান’, সুবিমলবাবু’, লুচ্চা' প্রভৃতি গল্প পাঠককে। অমৃত-গরলের সন্ধান দেবে।