“আহত সময়ের বকবক” বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ
কবিতায় বুদ্ধিবৃত্তির যে ঝনঝনানি আর অনুভূতিপ্রবণতার যে গদগদে ভাব রাখা হয় সাধারণত, রুদ্র সেখানে কবিতায় আশ্রয় করেছে এবং আশ্রয় দিয়েছে মধ্যবিত্ত জীবনের আটপৌরে অভিজ্ঞতাগুলোকে। ওর কবিতায় আমাদের ক্ষুধাকাতর জীবন একাকার হয়ে মিশে গেছে প্রেম, বিচ্ছেদ, অতৃপ্ত যৌনতার সাথে। জীবনের মৌলিক প্রয়ােজন অনুদিত হয় কাতরতার ভাষায়। এ কাতরতা শ্বাশত, চিরন্তন। তাই রুদ্র’র ব্যক্তিক অভিব্যক্তি তার কবিতায় হয়ে ওঠে নৈর্ব্যক্তিক প্রতীতি।। এখানেই কবিতা হয়ে ওঠে সমকালীন ও কালােত্তীর্ণ। রুদ্র পাঁজরের রিডে বাজায় কবিতার সিম্ফনি।। — নাঈমুল আলম মিশু