সব সংস্কৃতিতে সাহিত্য এবং কবিতা মানুষের ভাব প্রকাশ ও সৃজনশীলতার অন্যতম প্রধান মাধ্যমে পরিগণিত হয়েছে। বিশ্ব এমন একটা যুগ অতিবাহিত করেছে, যখন সাহিত্য ও কবিতা গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান অর্জন করেছিল, যেমন বর্তমান যুগে অর্জন করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
এমনকি অমুসলিম পণ্ডিতরাও স্বীকার করেছেন যে, আল-কুরআন এমন এক চমৎকার আরবি সাহিত্য, এটা পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ আরবি সাহিত্য। আল-কুরআন মানবজাতিকে আল কুরআনের মতো অনুরূপ গ্রন্থ রচনা করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
আল-কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে-
מו.
وَ إِنْ كُنْتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَلْنَا عَلَى عَبْدِنَا فَأْتُوا بِسُورَةٍ مِنْ مِثْلِهِ وَادْعُوا صَدِقِينَ فَإِنْ لَّمْ تَفْعَلُوا وَلَنْ تَفْعَلُوا فَاتَّقُوا شُهَدَاءَكُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ . النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ أُعِدَّتْ لِلْكَفِرِينَ
অর্থাৎ, 'আমি আমার বান্দার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তা সম্পর্কে তোমাদের যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে এর মতো একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এসো। এক আল্লাহকে ছাড়া তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে আহ্বান কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। আর যদি তা না পার অবশ্যই তা তোমরা কখনও পাররে না