ইলমে তাজবিদ বিষয়ে অভিজ্ঞ ও গবেষক আলিমগণের পছন্দ অনুযায়ী মাখরাজ হলো ১৭টি।
কোনো হরফের মাখরাজ জানার পদ্ধতি হলো, হরফটিকে সাকিন বা তাশনিদ করে তার পূর্বে একটি ফাতহাহ (যবর), দাম্মাহ (পেশ) বা কাসরাহ (জের হামযাহ বসিয়ে উচ্চারণ করতে হবে। এরপর হরফটির প্রতি মনোযোগ দিয়ে সঃ উচ্চারণ করার সময় যে জায়গায় এসে ধ্বনিটি শেষ হয়ে যাবে, সেটাই হলে দে (জের)
হরফের মাখরাজ যেমন: آب إِبْ أَبْ
যাঁরা মাখরাজ ১৭টি হওয়ার মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মতন তাঁদের অনুসরণে এ মতটিই গ্রহণ করেছেন। এই ১৭টি বিশেষ (খাস) মাখরায় খলীল ইবন আহমাদ ফারাহীদী এবং মাক্কী ইবন আবী তালিব। ইমাম ইবনুল জাজ্য মূলত ৫টি প্রধান (আম) মাখরাজের অধীনে বিভক্ত। যথা-
১. জাওফ (মুখ ও গলার খালি জায়গা) এর অধীনে ১টি বিশেষ মাখরাজ রয়েছে
২. হলক (কণ্ঠনালী): এর অধীনে ৩টি বিশেষ মাখরাজ রয়েছে।
৩. লিসান (জিহ্বা): এর অধীনে ১০টি বিশেষ মাখরাজ রয়েছে।
৪. শাফাতান (দুই ঠোঁট) এর অধীনে ২টি বিশেষ মাখরাজ রয়েছে।
৫. খাইশুম (নাসিকামূল) এর অধীনে ১টি বিশেষ মাখরাজ রয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
ইমাম সিবাওয়াইহ ও ইমাম শাতিবী রহ. এর মতে, মাখরাজ মোট ১৬টি। তাঁরা প্রধান ও বিশেষ মাখরাজের তালিকা থেকে 'জাওফ'-কে বাদ দিয়েছেন। জাওফ থেকে উচ্চারিত মাদ-এর বর্ণগুলোকে তাঁরা অন্যান্য মাখরাজে ভাগ করে দিয়েছেন। যেমন : মাদী আলিফকে কণ্ঠনালীর শেষ ভাগে, মাদী ইয়া-কে জিহ্বার মধ্যভাগে এবং মাদী ওয়াও-কে দুই ঠোঁটে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।