সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্যই যিনি সমগ্র বিশ্বের মালিক ও পরিচালক। স্রষ্টার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ (আশরাফুল মাখলুকাত)। আর ভালো-মন্দের মিশ্রণেই জ্বিন ও ইনসানকে সৃষ্টি করা হয়েছে। যার জন্য ভূপৃষ্ঠে চলছে ভালো মন্দের লড়াই। যারা মন্দের সাথে লড়াই করে শান্তি আনয়ন করবে, তারাই স্রষ্টার উপহার হিসেবে পরকালে পাবে জান্নাত। আর যারা অন্যায়, অবিচার ও মন্দের কাজে জাগতিক সুখের আশায় নিজেকে নিয়ে নিয়োজিত রাখে তারা পাবে জাহান্নাম।
মহান আল্লাহ এই পৃথিবীকে নিখুঁতভাবে সাজিয়েছেন। যাহাকে যেখানে প্রযোজা সেখানে সেই স্থানে কর্মদানে অধিষ্ঠিত করেছেন। পৃথিবীর কোন মানুষ ছোট বা বড় নয়, একে অপরের পরিপূরক। প্রভুর চোখে সবাই সমান। পরম করুণাময় আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত অপরাধ আল্লাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করতে পারেন। কিন্তু মানুষের সাথে সম্পর্কিত অপরাধ আল্লাহর কাছে ক্ষমার যোগ্য নহে। তাই আমি মনে করি মানুষ ব্যাতিত সকল ইবাদত অপূর্ণ।
এই গ্রন্থে অসৎ কাজে বাধা এবং সত্যকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। কুসংস্কার ও অন্ধকারাছন্ন সমাজ থেকে বেরিয়ে এসে নিজেকে আত্মবিশ্বাসের সাথে সত্যের পথে অটল থেকে আলোর পথের সন্ধান অঙ্কিত করা হয়েছে। সৃষ্টির সেবা, মানবকল্যাণ ও সালাত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বনির্ভর জীবন গঠন করার জন্য সাধ্যমত তাগিদ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
আমার এই 'আলোর পথে' গ্রন্থটি প্রকাশে উৎসাহ ও সার্বিক সহযোগিতা করেছেন ভাটিবাংলা হাইস্কুল-এর সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ মফিদুল ইসলাম (এম.এস.এস, এম,এড) স্যার, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যদি আমার 'আলোর পথে' গ্রন্থটি পড়ে আপনাদের হৃদয়ে সামান্যতম স্থান পায় বা ভালো লাগে তাহলে আমার লেখা সার্থক ও সুন্দর হবে এবং পাঠক-পাঠিকাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। এই 'আলোর পথে' বইটিতে কোন ভুল-ত্রুটি থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।