বাদশাহ আকবরের আমল থেকেই হারেমকে ঘিরে গোপনীয়তার কুয়াশা গড়ে উঠতে থাকে। সেই কুয়াশাকে ঘিরে পাক খেতে থাকে অদম্য কৌতূহল। এ কৌতূহল আজও একইভাবে ছড়িয়ে আছে। কয়েকশ বছরেও নিবৃত্তি হয়নি।
মোগলরা একটি সবুজ সাংস্কৃতিক পটভূমি (মধ্য এশিয়া) থেকে এসেছিল, যাদের বৌদ্ধিক, সাহিত্যিক এবং শৈল্পিক সাফল্য ছিল। মোগল সম্রাটরা নিজেরাই বহু প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন এবং তাঁদের কৃতিত্বের জন্য বড় সাংস্কৃতিক অর্জন রয়েছে। এটি ছিল মোগল সাম্রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা নারীদের অবদান শুধু সাহিত্য ক্ষেত্রেই নয়, রাজনীতিতেও ছিল! আর ছিল শৈল্পিক কৃতিত্ব। প্রতিনিধিত্বের অন্যান্য প্রচারের মতো, হারেমও মোগল মর্যাদা আর তাঁদের মহিলাদের পবিত্রতার একটি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছিল, যেখানে তাঁরা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য পর্দা বা নির্জনতা সত্ত্বেও তাঁদের মহিলাদের যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়েছিল। তারই বর্ণনা এই বইয়ে উপস্থিত করা হয়েছে।
মূলত এই বইয়ে আমরা দেখতে পাই মোগল হারেম মোগল সংস্কৃতির বিকাশের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। মোগল নারীদের মহিমা স্পষ্ট হয় যখন আমরা দিল্লি, আগ্রা, ফতেহপুর, সিক্রি এবং লাহোরের এই বিশাল এবং বিস্ময়কর স্থাপনাগুলি পরিদর্শন করি।