হাদীসের উদ্ধৃতিপূর্বক আগেই বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবীগণ নক্ষত্রতুল্য। তাঁদের মধ্যে যাঁরই অনুসরণ কর, তোমরা হেদায়েত পাবে। তাই তাদের জীবনাদর্শ যে নিষ্কলুষ এবং নির্মল, এতে সন্দেহের লেশমাত্র নেই। তাদের মধ্যেও দুনিয়াতে থাকাবস্থায় বেহেশতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশ জন সাহাবী অর্থাৎ ‘আশারা মোবাশ্শারা” কে “ঘোষণাপ্রাপ্ত জান্নাতী দশ সাহাবী” নামকরণ করা হল, যাতে বাংলাভাষী মুসলমানদের জাগতিক এবং পারলৌকিক আদর্শ জীবনের জন্য যে একটি ফলপ্রদ ও কল্যাণময় ভূমিকা পালন করতে পারে তা বলাই বাহুল্য। সে মহামানবদের জীবনচরিত আলোচনার ফলে তাঁদের অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে মুসলিম মিল্লাত নিজেদের জীবনকেও চরিত্রায়িত করে নিতে পারে এবং তদনুরূপ জীবনাচরণে নিজেদের জীবন গঠন করতে পারে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ।