‘বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান’ আধুনিক জ্ঞানের ও বিজ্ঞানের, যুক্তিভিত্তিক বিশ্লেষণের তুলনামূলক বিচার পর্যালোচনা ও গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ পুস্তক।
ধর্মকে যাঁরা ভালবাসেন-এ পুস্তক তাদের জন্য।
ধর্মের যাঁরা বিরোধী-এ পুস্তক তাঁদের জন্যও।
কোরআনকে যারা আসমানি কিতাব বলে বিশ্বাস করেন-এ পুস্তক তাঁদের প্রয়োজনে রচিত।
কোরআনকে যাঁরা ‘মানুষের রচনা’ মনে করেন-এ পুস্তক তাঁদের অবশ্য পাঠ্য।
কোরআনের বাণী যাঁদের নিকট আদরণীয় কিংবা যাঁদের নিকট অসহনীয়-এ পুস্তক তাঁদের প্রত্যেককেই- পড়তে হবে।ধর্মগ্রন্থ মাত্রকেই যারা বিজ্ঞান-বিরোধী ভাবেন-তাঁদের এ পুস্তক অবশ্যই একবার পড়ে দেখা দরঅনুবাদক পরিচিতি
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার তাজনগর গ্রামের সভ্রান্ত শাহ পরিবারের সন্তান আস্তার-উল্-আলমের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি। তিনি প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা ৬০ দশকের শুরুতে বাংলাদেশের প্রাচীনতম পত্রিকা দৈনিক আজাদে। তখন তিনি দৈনিক আজাদ গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স-এর সুপ্রসিদ্ধ মাসিক পত্রিকা মোহাম্মদীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন। একই সঙ্গে মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খার তত্ত্বাবধানে তিনি দৈনিক আজাদের সম্পাদকীয় এবং কলাম লেখকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে আপ্তার-উল্-আলম দৈনিক ইত্তেফাকে সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। অল্পকালের মধ্যে ইত্তেফাকে তাঁর ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লেখা ‘স্থান-কাল-পাত্র’ কলামটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হয়। ৭০ ও ৮০ দশকে এটি ছিল এদেশের সর্বাধিক পাঠকপ্রিয় কলাম। ১৯৮৫ সালে আখতার-উল্-আলম ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নিযুক্ত হন। এই সময়ে ইত্তেফাক দেশে শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় পরিণত হয়। ১৯৯২ সালে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বাহরাইন গমন করেন এবং ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যোগ্যতার সাথে এই দায়িত্ব পালন করেন। ইতোমধ্যে দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব ত্যাগ করে পুনরায় সংবাদিকতা পেশায় ফিরে আসেন এবং দৈনিক দিনকালের সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে ২০০১ সালের ১লা জানুয়ারি উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি পুনরায় দৈনিক ইত্তেফাকে যোগদান করেন। সাংবাদিকতা ছাড়াও আখ্যার-উল্-আলম এক সময়ে নিয়মিত কবিতা, গল্প ও উপন্যাস লিখতেন। সাংবাদিকতা জীবনের ফাঁকে ফাঁকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদের কাজও করেছেন। ‘বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান’ তাঁর বিখ্যাত অনুবাদ-কর্ম। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩৩। কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৫ সালের ২৪ জুন তিনি ইন্তেকাল করেন।
বইটির প্রচ্ছদ ও কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে দেখার জন্য সংযুক্ত ফাইল দেখুন