বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া উগ্র সাম্প্রদায়িক সশস্ত্র জঙ্গিরা বাংলাদেশকে আক্রমণ করেছে। যুদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশের বিরুদ্ধে, মুক্তিকামী মানুষের বিরুদ্ধে। বিচারালয়, প্রশাসনসহ দেশব্যাপী চালাচ্ছে গ্রেনেড-বোমা হামলা। তাদের হাতে রয়েছে বিপুল অর্থ, অত্যাধুনিক অস্ত্রসহ তেজস্ক্রিয় অস্ত্র নির্মাণের উপাদান, উপকরণ। জঙ্গিগ্রুপ গ্রাম- গঞ্জে বিপুল মারণাস্ত্রের দূর্গ তৈরি করেছে। তাদের রয়েছে বিদেশে প্রশিক্ষিত দক্ষ বিশেষজ্ঞ। পাশাপাশি গঠন করেছে আত্মঘাতি স্কোয়াড। গড়ে তুলেছে দেশব্যাপী সশস্ত্র জঙ্গি নেটওয়ার্ক। তাদের লক্ষ্য নির্দিষ্ট। গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা, বাঙালি জাতিস্বত্বা ও শোষণমুক্তির আলোকিত পথকে রুদ্ধ করে সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধ-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যত। সরকারের একটি অংশ সরাসরি এদের সঙ্গে সম্পর্কিত। দেশের সশস্ত্র জঙ্গিগ্রুপগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত আন্তর্জাতিক চক্র। তারা দিচ্ছে আশ্রয়- প্রশ্রয় ও মদদ। লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা তারা ধ্বংস করতে চায়, নস্যাৎ করতে চায় দেশের সার্বভৌমত্ব, বাংলাদেশকে অকার্যকর ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সার্বিক অপতৎপরতায় লিপ্ত। এই অশুভ সশস্ত্র জঙ্গিচক্রের কথিত তত্ত্ব, উৎস, শক্তি, নেটওয়ার্ক, কর্মকাণ্ড ও জাতিক- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ: থ্রেট অব ওয়ার বইটি রচিত।