"বাংলাদেশে আর্কাইভস" বইয়ের ফ্ল্যাপের কথা:
আলােচ্য গ্রন্থে আর্কাইভস পরিচিতি, ফ্রান্স-ইংল্যান্ড-আমেরিকা ও বাংলাদেশে আরকাইভস এর উদ্ভব, শিক্ষা-গবেষণা, বাংলাদেশে আর্কাইভস সুশাসন ও তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য আর্কাইভসের প্রয়ােজনীয়তা, আর্কাইভস ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশে আর্কাইভস আইন, বাংলাদেশের কিছু নির্বাচিত আর্কাইভসে নথি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা প্রভৃতি বিষয় আলােচিত হয়েছে। বিভিন্ন অফিস আদালত ও ব্যক্তি বা পারিবারিক পর্যায়ে প্রতিনিয়ত যেসকল নথিপত্র সৃষ্টি হয় তার মধ্যে যেসব নথি ভবিষ্যত প্রয়ােজনে সংরক্ষণ করা হয় তাই আর্কাইভস। যে ভবনে তা সংরক্ষণ করা হয় তার নামও আরকাইভস। আর্কাইভসকে নথি সংগ্রহশালা বলা যায়। বাংলাদেশে আর্কাইভস বিষয়টি অপরিচিত। কিন্তু এর গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের কারিকুলামে অনার্স পর্যায়ে আর্কাইভস বিষয়ে একটি কোর্স অন্তভুক্ত করা হয়েছে। আলােচ্য গ্রন্থটি ছাত্রদের সহায়ক হবে। বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস, কালেক্টরেট রেকর্ডরুম, জেলা জজ রেকর্ডরুম, জেলা পরিষদ, জেলা ভূমি রেজিস্ট্রার, পৌরসভাসিটি করপােরেশন প্রভৃতি রেকর্ডরুমে কী ধরনের ডকুমেন্টস সংগৃহীত আছে তা এই গ্রন্থ থেকে জানা যাবে। ইতিহাসের গবেষণায় আর্কাইভসে সংগৃহীত ডকুমেন্টস-এর ব্যবহার বাড়বে, ব্যক্তি ও পারিবারিক নথিপত্র এবং দেশের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সকল পর্যায়ে নথিপত্রের সংগ্রহশালা গড়ে উঠবে এই আমাদের প্রত্যাশা।