অভাবিত প্রতিপত্তির অধিকারী এবং মহাযুদ্ধবিজয়ী রাষ্ট্রনায়ক চার্চিল ক্ষমতায় থাকলে নির্বাচন অবাধ হবে না, এ যুক্তিতে ব্রিটেনেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি উঠেছিল। সে দেশের রানী তখন কিন্তু রাজনীতিক চার্চিলকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন ও পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে সমস্যা সমাধান করেছিলেন এবং নির্বাচনে অপজিশন পার্টির এটলি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। ভারতেও সাম্প্রতিককালে বিপন্ন প্রায় সংসদে খুব সামান্য সংখ্যক সংসদ সদস্যদের সমর্থনপুষ্ট নেতা চন্দ্র শেখরের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়েছিল।
বাংলাদেশে যদি খালেদা জিয়ার অধীনে নির্বাচন করা না যায়, তাহলেও, রাজনীতিকদের নিয়েই কেয়ারটেকার সরকার হতে পারে।তত্ত্বাবধায়ক সরকারে কর্তৃত্ব করার জন্য বিচারপতি, এনজিও প্রধান, ধনবান শেঠ, বা অন্য কাউকে হাজির করার প্রয়োজনটা কি? তাদের হাজির করলে, গণতন্ত্র এবং রাজনীতিকদের সর্বোচ্চ-কর্তৃত্ব আসলেই থাকে না। তাতে নানাদিক থেকে চূড়ান্ত বিপর্যয় দেখা দিতে বাধ্য। রাজনীতিকদের সৃষ্ট সমস্যা রাজনীতিকরাই সমাধান করুন।