সহসা এক দিন গভীর রাত্রে তিনি এক স্বপ্ন দেখিয়া অভিভূত হইয়া পড়িলেন।যেন তিনি প্রবেশ করিয়াছেন এক অলৌকিক রাজ্যে, তাঁহার চতুর্দিক হইতে কোকিলের কুহু কুহু শব্দ ভাসিয়া আসিতেছে; কিন্তু একটি কোকিলও দেখা যায় না; যেন শত শত কুসুমের গন্ধ লইয়া মলয় সমীর তাঁহার ঘরে প্রবেশ করিতেছে, অথচ কোন ফুল-বাগান নাই। সেখানে কামটুঙ্গী’ ঘরে প্রদীপ জ্বলিতেছে, তাহার কিরণে চতুর্দিক ঝলমল করিতেছে অথচ সেই ঘরখানি কি বৈকুণ্ঠে, অথবা অলকায় কিম্বা কৈলাসে তাহা তিনি বুঝিতে পারিলেন না। এই অপূর্ব স্থান হইতে তিনি যাহা শুনিলেন তাহাতে তাঁহার গন্ডদ্বয় প্লাবিত করিয়া অজস্র অশ্রু পড়িতে লাগিল। শুষ্ক দীঘিতে জল সঞ্চার করাকে শুষ্কোদ্ধার বলে। কামটুঙ্গী আসবাবপত্র সহ সুসজ্জিত ঘর, সচরাচর ইহা দীঘির পারে নির্মিত হইত।
