বর্তমানে মানুষকে একধরনের অস্থির সময়ের ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। ব্যক্তি, সমাজ জীবন যেন এক শ্বাপদসংকুলে পরিণত হয়েছে। এর মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া, ভিডিও কনটেন্টের দাপট সমাজ থেকে সাহিত্যকে এক রকম বিতাড়িত করে ফেলেছে। এ রকম একটা সময়ে সাহিত্য নিয়ে পড়ে থাকা বা চর্চা করা পাহাড়ি খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপরীতে চলারই শামিল। তবু সমাজে কিছু বোকা লোক থাকে যারা ঠেলে পাহাড় সরানো যাবে না জেনেও সেই কাজ করে যায়। হয়তো এর মাঝেই কোনো আশা তাকে সামনে চলার সঞ্জীবনী দিয়ে যায়।
আমি হয়তো তাদের দলেই পড়ি। আমার ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে উৎসাহ জুগিয়েছে আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ। বিজিতের পলায়নবিদ্যা প্রকাশের পর পাঠক মহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয় এবং অল্প দিনের মধ্যে দ্বিতীয় মুদ্রণে যেতে হয়। কাছের ও দূরের বিভিন্ন মহল থেকে লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ পাই। নবীন একজন লেখকের জন্য যা অত্যন্ত সৌভাগ্য ও গর্বের বিষয়। একজন কলমশ্রমিকের কলমে থাকবে প্রান্তিক মানুষ ও তাদের জীবনের গল্প সেটাই স্বাভাবিক।
নাট্যকার, ইয়েলো, দেড় ব্যাটারি, সে আসে ফিরে, না আদম না শয়তানসহ অন্যান্য গল্প তারই উদাহরণ। সেই সব গল্পে যেমন আছে দুঃখ, তেমনি আছে প্রেম, তেমনি আছে ছোট ছোট সুখের কম্পন। এই সব নিয়ে আমার দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘বাউরা।’