বেগম রোকেয়া জমিদার কন্যা হয়েও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের কোনো সুযোগ পাননি। মাত্ৰ পাঁচ বছর বয়স থেকেই যাঁকে কঠোর অবরোধের মধ্যে এক প্রকারের বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে।আনন্দময় শৈশব-কৈশোর বলতে তাঁর কিছুই ছিল না। সেই রোকেয়াই নারীকে ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর সাহায্যে সমাজ
পরিবর্তনের চেষ্টার পাশাপাশি নারীর শিক্ষা ও নারীকে আত্ম-সচেতন করার সাহসী স্বপ্ন দেখেছিলেন।
শুধু শিক্ষাগত মুক্তি নয়, নারীর সার্বিক মুক্তির কথা চিন্তা করেছিলেন বেগম রোকেয়া।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কেতকী কুশারী ডাইসন বলেছেন, বাংলার নব জাগরণের মতো বড় একটা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছিলেন বেগম রোকেয়া। নারী মুক্তির বাস্তব পথ দেখাতে তাঁর অবদান ছিলো বিশাল।
বেগম রোকেয়া বৈজ্ঞানিক ধ্যান-ধারণার দিক থেকেও তাঁর যুগের তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগামী ছিলেন। তাঁর বহু রচনায় বিজ্ঞানমনস্ক চেতনার স্পষ্ট স্বাক্ষর রয়েছে।তাঁর স্বপ্ন ও সংগ্রামের স্বরূপ সহজ-সরল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে এ বইতে।গ্রন্থটি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে রোকেয়া চর্চার আগ্রহ তৈরিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।