অ্যামিবা থেকে মানুষ
প্রাণিজগত ও উদ্ভিদজগত নিয়ে বৈচিত্র্যময় পৃথিবীর জীবজগত। এর মধ্যে মানুষের আছে সবচেয়ে উন্নত মস্তিষ্ক। তাই তারা সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতি। এই বুদ্ধিমান প্রজাতির প্রশ্ন: প্রকৃতিতে আমরা কোথা থেকে এবং কীভাবে এলাম? প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কইবা কী?- এরকম অসংখ্য প্রশ্নের প্রকৃতিবিজ্ঞান-ভিত্তিক জবাব-ই হচ্ছে আধুনিক জৈববিবর্তন। এ-তত্ত্বের প্রাণপুরুষ চার্লস ডারউইন। জৈববিবর্তন-তত্ত্বের উদ্ভবের সঙ্গে আরেকজন বিজ্ঞানীর নাম যুক্ত আছে। তিনি হচ্ছেন আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস।
এজন্য জৈববিবর্তনকে ডারউইন-ওয়ালেস তত্ত্বও বলা হয়। ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত 'অরিজিন অব স্পিসিজ' গ্রন্থে চার্লস ডারউইন জৈববিবর্তনকে ব্যাখ্যা করেন। পৃথিবীতে যতো রকমের জীব দেখা যাচ্ছে তাদের প্রত্যেকেরই একটা ইতিহাস আছে। ঠিক আজকের দিনের চেহারাই তাদের বরাবরকার চেহারা নয়। হাজার-লক্ষ-কোটি বছর ধরে বদলাতে-বদলাতে আজকে তাদের এই বিশেষ চেহারা। প্রকৃতিতে যাদের বদল অভিযোজনের সহায়ক, তারা টিকে আছে, যাদের সহায়ক হয়নি, তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। চার্লস ডারউইন একেই বলেছেন জৈববিবর্তন।