আমরা যখন নিউটন,আইনস্টাইন,ডারউইন,ম্যাক্সর্ন,ফাইনম্যান এর মতো বড়ো বড়ো বিজ্ঞানীর কথা বলি তখন ভাবি এরা বোধ হয় মহাপুরুষ। কেউ মহাপুরুষ নন। তাদেরও ভুলভ্রান্তি আছে এবং তারা যে উপদেশ দিয়েছেন তাদের যে অতিক্রান্ত পথ সে পথকে আরো অতিক্রম করে যেতে হবে। সেখানে থেমে থাকলে হবে না। মুখস্থ করে কোনো পরীক্ষিত জ্ঞানকে আত্মস্থ করে বিজ্ঞানী হওয়া যায় না,পÐিত হওয়া যায়। বিজ্ঞানী হতে গেলে আবিষ্কারে অংশ নিতে হবে। সৃজনশীলতায় অংশ নিতে হবে এবং ক্রমাগত সন্দেহবাদ,পরীক্ষানিরীক্ষার বিশ্লেষণ দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। বিজ্ঞান আনন্দের,অনুপ্রেরণার,বিজ্ঞান স্বাধীনতা। বিজ্ঞানের অনেক বৈশিষ্ট্য আছে। বিজ্ঞানকে সংজ্ঞায়িত করা না গেলেও বিজ্ঞানের বৈশিষ্ট্যগুলো আমরা বের করতে পারি। বিজ্ঞানী একজন পথিক যার পথ নিঃশেষ হয়ে যায় না। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় পথের শেষে তীর্থশালা নয়,পথের দুপাশে দেবালয়। বিজ্ঞানের চর্চার যে পথটা সেটিই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। শেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছে একটা আপ্তবাক্য মুখস্থ করাটাই বিজ্ঞানের লক্ষ্য নয়। বিজ্ঞান মানবিক। বিজ্ঞানীদের জীবন,তাদের প্রচেষ্টা,তাদের ব্যর্থতা,তাদের যন্ত্রণা,তাদের উদ্ভাবনী প্রেরণা সবকিছুকেই জানতে হবে এবং তা সঞ্চারিত করতে হবে তরুণদের মধ্যে।