মহাত্মা গান্ধির মতে বিশ্বপথিক মৌলানা আবুল কালাম আজাদের প্রজ্ঞা ও বিদ্যাবত্তা গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল, প্লেটো এবং পিথাগোরাসের সমতুল্য। জওহরলাল নেহরু তাঁর জ্ঞাননিষ্ঠায় বিস্ময় প্রকাশ করে তাঁকে রুশো ও ভলত্যের-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। প্রবাদপ্রতিম বাগ্মী, ইতিহাসবিদ, দার্শনিক ও সত্যনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক মৌলানা আজাদ কংগ্রেসের ইতিহাসে সব থেকে কম বয়সে কংগ্রেস-সভাপতি হয়েছেন (১৯২৩)। আবার স্বাধীনতা সংগ্রামের জটিলতম পর্যায়ে ১৯৪০ থেকে ১৯৮৬ তিনিই ছিলেন কংগ্রেস- সভাপতি। স্বাধীন ভারতের শিক্ষানীতির ভিত গড়ে দিয়েছেন। দেশ তাঁকে 'ভারতরত্ন' বলে বরণ করেছে। তাঁর জন্মদিন, ১১ নভেম্বর, 'ভারতের শিক্ষাদিবস' হিসেবে পালিত হয়।