সুনির্দিষ্ট ৩টি অংশে ভাগ করে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বইটিতে তার রচনাশৈলী উপস্থাপন করেছেন।
১. ভালো বক্তা হওয়ার বৈজ্ঞানিক কৌশল।
২.ভালো উপস্থাপক হওয়ার বৈজ্ঞানিক কৌশল ও
৩.ভালো বিতার্কিক হওয়ার বৈজ্ঞানিক কৌশল।
অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন,বক্তৃতা,উপস্থাপনা ও বিতর্ক কি আর শেখার বিষয়?? এসব তো এমনিতেই পারা যায় অথবা এসব ব্যক্তি বিশেষের বিশেষ যোগ্যতা।
যারা এমনটা ভাবেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি দুনিয়ার সব কিছুই শিখতে হয়।মুদির দোকান কিভাবে চালাতে হয়,তাও শিখতে হয়।প্রথমে তার মুনাফা বেশি হয় না,খরিদ্দারও বেশি জোটে না, পরে এসব বিষয়গুলো শেখা হলে, খরিদ্দারও বেশি জোটে ও মুনাফাও ঠিকমতো হয়।নাইয়া যে নৌকা বায়,সেখানেও কিছু শেখার থাকে।অর্থাৎ যেকোনো কাজে সফলতা অর্জনের জন্য কষ্ট স্বীকার ও ত্যাগ স্বীকার করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়।।আর সেই অর্জিত অভিজ্ঞতাই হলো প্রকৃত শিক্ষা।