আমরা কী বেঁচে আছি?
যখন গল্পের সংসারে ঢুকে হাড় মাংস জলে সাঁতার কাটতে পারি, তখনই বুঝতে পারি গল্প আমাদের বাঁচিয়ে রাখছে। প্রাচীনকাল থেকে মানব বিশ্ব কিন্ত গল্পের ঘরবাড়ি। ঘরবাড়ির মানুষগুলোর যতো দুঃখ হতাশা প্রেম খুন অপ্রেম সবই গল্প ধারণ করে নিজেরাই সজীব আর সতন্ত্র কষ্ঠস্বর। গল্পকারের মননে সৃষ্টির শিল্পসূত্রপাতে প্রতিটি গল্প হয়ে ওঠে জীবন রক্তস্রোত।
বন্দি রাজকুমারী ও মাইকেল মধুসূধন গল্প বইয়ের ষোলোটি গল্পের মধ্যে যেমন আছে দুঃখের নৃত্য, তেমন আছে প্রেমের নিঁখুত-নিপুণ খুনের পদ্মফুল। ১৯৭১ সালে হায়েনা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহান মুক্তিযুদ্ধের গাথা শত জনমের অর্জিত অহংকার। গল্পকার সেই স্পর্ধিত অহংকারের পতাকা এঁকেছেন গল্পের বুভুক্ষ জমিন জুড়ে। নদী যদিও নারীর মতো কিন্ত আগ্রাসী ভাঙনে পরিনত হয় বাংলার জনপদ হাঁঙ্গরের হাঁ’য়ে। ধ্বংসের সংবেদে সেই জীবনের গল্পও বইয়ে ঠাঁই পেয়েছে।
আধুনিক নগর জীবনে একটা নিজের বাসা প্রতিজনের পরম আশা। কিন্ত একজন বাকীবিল্লাহ প্রমাণ করে দেয়, সবাই সবকিছু পাওয়ার অধিকার রাখে না। বন্দি রাজকুমারী ও মাইকেল মধুসূধন গল্পবইয়ের গল্পগুলো বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষের ভাঙা আয়নায় প্রতিফলিত মুখ…