মুসলিম বঙ্গের ইতিহাস কলুষিত হয়েছে বারেবার। মুসলিম শাসনের সময়কে কলুষিত করতে রচিত হয়েছে নতুন নতুন ইতিহাস। ইংরেজদের মদদপুষ্টরাও বারবার চেষ্টা করেছে—বিকৃতির মাধ্যমে বঙ্গের ইতিহাস-ঐতিহ্য ভুলিয়ে রাখতে। তারা তাতে সফলও হয়েছে।
মুসলিম বঙ্গের প্রধান পুরুষ বখতিয়ারকে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে, লুটপাটের অভিযোগ করেছে তার বিরুদ্ধে। নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে নারীলোভী-অপশাসক হিসেবে প্রমাণ করে তাকে অযোগ্য দেখিয়ে মুসলিম বঙ্গের ইতিহাসকে বিকৃতির চেষ্টা করেছে। মুসলিম বঙ্গের আরেক মহান শাসক ও মহান বিপ্লব—ফকির বিদ্রোহকে সামান্য একদল ফকির-সন্ন্যাসীর বিদ্রোহ বলে বঙ্গের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। মজনু শাহ নাম দিয়ে নবাব নূরুদ্দীন মুহাম্মদ বাকের জংকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। আর আমরাও জেনে এসেছি সেসবই।
বিকৃতির সেসব নমুনা ও তার বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে বই তিনটিতে। বইগুলো হলো—‘বঙ্গবিজেতা বখতিয়ার’, ‘সিরাজউদ্দৌলা : জীবনবিশ্লেষণ, চরিত্র বিচার’ এবং ‘বিকৃতি ও বিভ্রান্তির বেড়াজালে রহস্যময় ফকির বিদ্রোহ ও মজনু শাহ’।