বংশ মানুষকে ধরে রাখে না, মানুষকেই বংশ ধরে রাখতে হয় । যোগ্য লোকের অভাবে কোনো বনেদি বংশ যেমন বিলুপ্ত হতে পারে, তেমনি যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে যে কেউ নতুন বংশের গোড়াপত্তনও করতে পারেন। নামগোত্রহীন মানুষও আপন পরিশ্রম এবং যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে কোনো বিখ্যাত বংশের সূচনাকারী হতে পারেন। ‘বংশতিলক’ বইটির প্রায় সকল গল্পে পরিশ্রম ও মেধার যথোচিত ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজের যেকোনো স্তরের মানুষ কীভাবে সমাজের প্রচলিত স্তর বিন্যাসের শৃঙ্খল ভেঙ্গে আভিজাত শ্রেণিতে প্রবেশ করতে পারে তা তোলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্রসমূহকে লেখক পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল, সৎ অথবা কোনো সহানুভূতিশীল মানবিক মানুষ হিসেবে অনুকরনীয় রূপে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। যা একজন সংবেদনশীল মানুষের হৃদয়কে সহজেই নাড়া দিবে এবং তাকে ইতিবাচক মানসিকতা গড়তে উদ্বুদ্ধ করবে ।