নানা মানুষের নানা রকম গল্প।
কখনো তারা খালিশপুরের দুই বোন—এক বোন জন্ম বোবা ও লকড আপ কারখানার ছাঁটাই মজুর, অন্য বোন চিংড়িঘের বিরোধী আন্দোলনে গুলি খেয়ে এক চোখ হারিয়ে কানী! আর ওদের জনপদের কেউ কেউ প্রত্যক্ষ করেছে চুকনগরের গণহত্যা। আবার ট্রান্স-জেন্ডার নার্স কাজি মাও সে তুং যেন একই দেহে ‘ব্রাদার’ ও ‘সিস্টার’। চৈনিক নেতা মাও সে তুং তাঁর দলের মেয়েদের হাতেও রাইফেল তুলে দিতে চেয়েছিলেন। অথচ পুরুষের দেহে নারীমনের কাজি মাও সে তুং ভাবে মেয়েদের পোশাক ও প্রসাধনী ব্যবহার করার সাহসও কম বড় ‘বিপ্লব’ নয়।
বরিশালের এক গ্রামে পড়শি সংখ্যালঘু এক সদ্য প্রসূতিকে পাকবাহিনীর হাতে ধর্ষিতা হতে দেখে যে চোদ্দ বছরের মেয়েটি মুক্তিযুদ্ধে নাম লেখায়, বিজয়ের দু’দিন আগে পাক-রাজাকার বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ‘শরীরটা নষ্ট হবার আগেই নষ্ট হয়ে যায়’ অথবা কোনো ব্রাহ্মণ গৃহবধূ একাত্তরে ধর্ষিতা হয়ে কালক্রমে হয়ে ওঠে শৌচাগারের সুইপার।