রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহে একদিন শিলাইদহে কুঠিবাড়ির গেটে এসে গাড়ি দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই অর্ক লাফিয়ে ওঠে, মন্টুমামা! ওই যে রবি ঠাকুর। আঙুল তুলে দেখায়-ওই যে দাঁড়িয়ে। তারপরই দে ছুট। মোটেই তর সইছে না ওর। যেন রবীন্দ্রনাথ হাতছানিতে ডাকছেন। কাজেই একটুও দেরি করা চলবে না। সবাইকে ছেড়ে এক দৌড়ে সে পৌঁছে যায় রবীন্দ্রনাথের কাছে। কুঠিবাড়ির প্রাঙ্গনে স্থাপন করা শ্বেতপাথরের রবীন্দ্রমূর্তির পাশে দাঁড়িয়ে ফিকফিক করে হাসে এবং সগর্বে ঘোষণা করে, সবার আগে আমি ছুঁয়ে দিয়েছি। মন্টুমামা কাঁধের ক্যামেরা নামিয়ে রবীন্দ্রনাথের পাশে দাঁড়ানো ভাগ্নের একটা সহাস্য ছবি তুলে নেয়। মাত্র তিন বছরের বড় বোন অর্চি একেবারে বড়মানুষের মতো করে বলে,