যে চরিত্রগুলো ভাবলেশহীন ঘুরে বেড়ায় দিনের আলোতে, নিশিথ আঁধারের নিস্তব্ধ ঘনতায় তারাই যেন মর্মের ভাষা খুঁজে পায় দ্বিধাহীনভাবে। বোধের অশরীরীরা ধাবিত হয় যে পথে, সে পথে সাথী হয় বিক্ষিপ্ত ভাবনারাও! ’অক্ষর, শব্দ আর বাক্যগুলো’ তারপর সারি বাঁধে দ্বিধাহীন জ্যামিতিক পথে, যেন নিরেট অবয়বে প্রাণের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে! ওদিকে রাতের চারণভূমিতে হাসি, কান্না আর বিষাদে ফোটা ফুলগুলো অনিবার্য ’জীবনে’ মত্ত হয়। রজনী মত্ত হয় বিক্ষিপ্ত ভাবনায়। পরম মমতায় কী যেন উদ্ধারের অলঙ্ঘনীয়তায় তার বসবাস। সজ্জায়নের পথটাও সুগম নয়। ভাবনাগুলো বার বার হোঁচট খায়; বিরতিহীন, আর অবলীলায়। তবে, রাত বলেই হয়ত দীর্ঘায়িত হয় না সেই ভাবনাগুলো। ক্লান্ত রাতের অস্থির মন তা গুছিয়ে নেয়ায় সচেষ্ট হয়। মোটাদাগে এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে গল্পগুলো। গল্পের রাতগুলো, আলো ও আঁধারের তারতম্য, অশরীরী বোধ, দ্বিধাহীন জ্যামিতিক পথ…
এসবের যে নির্যাস, তার উপলব্ধি ও মূল্যায়নের ভার আপনাকেই দিলাম।