ছবির মতো সুন্দর একটি গ্রাম। সেই গ্রামের শেষপ্রান্তে রায়চৌধুরীদের জমিদারবাড়ি। এখন আর কেউ থাকে না সে বাড়িতে। তাই চেনা অচেনা গাছের ঝোপঝাড়ে ছেয়ে গেছে বাড়িটা। সে বাড়ির পেছনে অনাদরে পড়ে আছে একটা জলাশয়। দীঘির চেয়ে বড়ো তবে দীঘি নয়। ঝিলও নয় ওটা। অথচ সবাই বলে ওটার নাম পদ্মঝিল! হয়তো কোনো সময় সেখানে পদ্মফুল ফুটতো, তাই জলাশয়টার এই নাম। কিন্তু এখন পদ্মঝিলের বুকে কোনো পদ্মফুল নেই। আছে শুধু কচুরিপানা আর শ্যাওলা। ঝিলের চার পাশটা ছেয়ে গেছে কচু গাছে। কতো যে কচু গাছ, তার হিসেব জানে না কেউ। সেই কচু বনে বাস করে পাজি নচ্ছার কতোগুলো মশা আর অনেকগুলো ব্যাঙ। ব্যাঙদের ভেতর ঘ্যাগো একজন। বাবা-মায়ের সঙ্গে বড়ো একটা কচু গাছের নিচে থাকে সে।