দুই দিন ও দুই রাত ধরে প্রতীক দিয়ে ঢাকা তার মরদেহ গভর্নরের প্রাসাদোপম বাসভবনের দরবার হলে শায়িত। সেখান থেকে আরব সাগরের জলরাশি দেখা যায়। জনসাধারণের জন্য রাজভবন খুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা লোকটির প্রতি তাদের অন্তিম শুভেচ্ছা জানাতে পারে, যিনি তাদের দেশের জন্য অন্য যে কারও চেয়ে অনেক বেশি অবদান রেখেছেন বলে তারা জানে। যদিও খুব কম লোকই ব্যক্তিগতভাবে তাকে চিনত, তিনি আসলে কাহিনিতুল্য এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। স্তবক ও ফুল হাতে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের লাইন প্রবেশদ্বার ছাড়িয়ে এক মাইলের বেশি দীর্ঘ। প্রটোকলের কড়াকড়ি নেই। পুলিশ শুধু নিশ্চিত থাকতে চাইছে, যে-খাটিয়ার ওপর তাকে রাখা হয়েছে, শোকার্ত জনতার ভিড় তার পাশে এসে যেন থেমে না যায়। তার মৃত মুখে তখনো বিজয়ী ভাব ও দৃঢ়তার অভিব্যক্তি। যারা খানিক বিলম্ব করে তার কন্যা ও তার বিপুল ঐশ্বর্যের উত্তরাধিকারীকে একনজর দেখবে বলে আশা করছিল, তাদেরকে হতাশ হতে হলো।