খামারবাড়ির বাইরের দিক। ১৮৫০ সালের গ্রীষ্মের শুরুর দিকের একটি দিন। সূর্য অস্ত যাচ্ছে। বাতাস নেই। চারদিক নিষ্কম্প। বাড়ির ওপরে আকাশ গাঢ় রঙে ছেয়ে গেছে। দেবদারু দুটির সবুজ রংও ঝলমল করে জ্বলছে। কিন্তু বাড়িটা সে-তুলনায় ছায়াচ্ছন্ন, মলিন, অবসাদগ্রস্ত। দরজা খুলে এবেন ক্যাবট বারান্দার শেষপ্রান্তে এসে দাঁড়ায়।
সে ডানদিকের রাস্তার দিকে তাকিয়ে হাতের বিরাট ঘণ্টাটিকে যন্ত্রের মতো দোলায়। সেই দোলানিতে ঘণ্টাটি কানে-তালা-লাগানো বিকট আওয়াজ করে বেজে ওঠে। এবেন জানুর ওপর হাত রেখে আকাশের দিকে তাকায়। কেমন একটা বিভ্রান্ত অজানা ভয়ের সঙ্গে সে দীর্ঘনিশ্বাস ফ্যালে। তার মুখ থেকে হঠাৎ প্রকৃতির এই আশ্চর্য সৌন্দর্যের অস্ফুট প্রশস্তি বেরিয়ে আসে।