বলদর্পী ছাত্রসংগঠনের সশস্ত্র কর্মীদের হামলায় আহত ভার্সিটি-ছাত্র রিজভী পড়ে আছে বিছানায়। প্রতিজ্ঞা করেছে, সুস্থ হয়ে সে প্রতিশোধ নেবেই নেবে। বারো বছর অপেক্ষার পর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালটপেপারে সিল দিতে পেরে তৃপ্ত হয়েছিল ব্যাংকার রাশেদ। অথচ অনাগত সন্তানের মুখ দেখার আগেই তার মগজ ছিটকে পড়ল ঢাকার রাস্তায়। মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে কথা বলায় জমিও হারালেন, দেশও ছাড়লেন কিসমত নগর কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা নুরনবী। জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে চাকরি হারানো মনির স্যারও শাহবাগে, মিশেছেন জনতার স্রোতে। রাক্ষসীর চেয়ারে একটা লাথি দেয়ার খুব তৃষ্ণা তার।
‘মাদারচোত’ গালি দেয়া ভারতীয় পুলিশকে চিনে ফেলায় নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার সাব-ইন্সপেক্টর মহসিন সাজানো মামলায় এখনো জেল খেটে চলেছেন। ডিবি অফিসের বাটপার অফিসার সমন্বয়কদের গুম করে নিরাপত্তা দিচ্ছে। ওদিকে আদালত বলছেন, জাতির সাথে মশকরা!
বামরাজনীতির ধারক আলীম ভাই আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ইয়ামিনদের খবর পড়েন আর নিষ্ফল আক্ষেপে ছটফট করেন। ৩৬ জুলাইয়ের শাহবাগ কি এ জাতিকে মুক্তি দেবে? সত্যিকারের মুক্তি?
জাতির ইতিহাসে নিষ্ঠুরতম বর্বরতার পরেও যদি আপনি মনে করেন, ‘আগেই ভালো ছিলাম।’ তবে এ বইটি আপনার জন্যে নয়।