খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৭০০ শতকে তুরস্কের দার্শনিক, অঙ্কশাস্ত্রবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী থেলস (Thales) সমুদ্রের জীব গবেষণা করে লিখেন যে, সমুদ্রই সব জীবের আঁতুর ঘর এবং সমুদ্রই সব জীবকে রক্ষা করছে।
এর প্রায় এক শতক পরে পারস্য দেশের দার্শনিক হেরাক্লিটাসের (Heraclitus) মতে, প্রতিটি জিনিসই পরিবর্তিত হয় এবং তা নব নব রূপে জন্ম নেয়।
ডারউইন, আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস, ল্যামার্ক, গ্রেগর মেন্ডেল প্রমুখ বিজ্ঞানী যে তত্ত্বের সাহায্যে পৃথিবী ও জীবকুলের সৃষ্টি ও বিকাশ সম্বন্ধে সম্পর্কে জানিয়েছিলেন এর নাম ক্রমবিকাশতত্ত্ব বা বিবর্তনবাদ (Theory of Evolution)। প্রকৃতিবিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন বিভিন্ন প্রমাণ ও যুক্তির সাহায্যে প্রকৃতিবিজ্ঞানকে একটি দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন।
বিজ্ঞানীরা এই বিপ্লবী মতবাদকে ডারউনতত্ত্ব নামেও অভিহিত করেছেন।
অনেকে তাঁকে জীববিজ্ঞানের নিউটন বলেও সম্মান প্রদর্শন করেন।
এই গ্রন্থে লেখক বিজ্ঞানী ও মনীষীদের মতবাদ ও আলোচনার আলোকে ডারউইনতত্ত্ব, জীবের উদ্ভব বিকাশ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা উপস্থাপন করেছেন।