দু’আ মুমিনের হাতিয়ার। হাদীসে এসেছে দু’আ ছাড়া আর কিছুই ভাগ্যকে বদলে দিতে পারে না। আন্তরিক ও বিনয়াবনত দু’আয় কত অসম্ভব যে সম্ভব হয়েছে, কত জীবন যে বদলে গেছে তার হিসেব নেই। আল্লাহ চান যে আমরা তাঁরই কাছে সবকিছু চাই। দু’আ নিজেই একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। তাই বেশি বেশি করে দু’আ করা উচিত। তবে দু’আ হতে হবে যেভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়েছেন। যেভাবে সাহাবী ও অন্যান্য নেককার ব্যক্তিগণ দু’আ করে গেছেন।
মাসনুন দু’আ, দু’আ কবুলের শর্ত ও নানান ঘটনা এবং দু’আ সংক্রান্ত আরো কিছু বিষয় নিয়ে ভরপুর একটি প্যাকেজ নিয়ে এসেছি আমরা। ‘দুআ কবুল প্যাকেজ’ নামের এই প্যাকেজটিতে থাকছে –
১। মিরাকুলাস প্রেয়ারস
আমাদের আর পূর্বসূরীদের মাঝে অন্যতম পার্থক্য হচ্ছে, দুআ। যেখানে আমরা কালেভদ্রে দুআ করি, সেখানে দুআ ছিল তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। তাদের দুআগুলো হতো তাদের মতই ‘মিরাকুলাস’!
তাদের সেসব দুআ কবুলের বিস্ময়কর কাহিনীমালা নিয়েই বই ‘মিরাকুলাস প্রেয়ারস: দুআ কবুলের আশ্চর্য ঘটনা।’
২। দুআ যিকির রুকইয়া
দুআ অতি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। আর এক্ষেত্রে সেরা দুআ হচ্ছে মাসনূন দুআসমূহ। মাসনূন দুআ মানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত দুআ। বিশ্ববিখ্যাত ‘হিসনুল মুসলিম’ এর সরল অনুবাদ এই বইটিতে থাকছে মাসনূন এই দুআগুলোর বিস্তারিত।
৩। দুআ যদি পেতে চাও
ব্যতিক্রমী একটি বই। কোন আমলগুলো করলে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু’আ পাবো, কোন আমলগুলো করলে মানুষের দু’আ পাবো, কোনগুলো করলে ফেরেশতাদের বা সৃষ্টিকূলের সবার দু’আ পাবো—সেগুলো নিয়েই অসাধারণ এই গ্রন্থটির অবতারণা।
৪। যে দুআ ব্যর্থ হয় না
এই বইটিতে দু’আ কিভাবে, কোন কোন সময়ে, কোন ধারাবাহিকতায় করলে তা কবুল হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে তা কুর’আন হাদীসের আলোকে লেখক চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন।