পৃথিবীর অনেক খনিজ সম্পদই যখন শেষের দিকে, তখন মানুষের নজর চলে যায় মহাকাশের দিকে। কারণ বিভিন্ন গবেষণা থেকে আমরা জানতে পেরেছি—চাঁদ ও অন্যান্য গ্রহানুতে প্রচুর পরিমাণ খনিজ সম্পদ মজুদ রয়েছে। আর যেখানেই সম্পদ, সেখানেই মানুষ শুধু করে সেই সম্পদ দখলের প্রতিযোগিতা।তবে মহাকাশ শুধু খনিজ সম্পদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। আজকে যেসব স্মার্ট ডিভাইস ছাড়া আমাদের চলে না, সেগুলো ব্যবহার করতে হলে আমাদের দরকার স্যাটেলাইন ও জিপিএস কানেকটিভিটি। আর স্যাটেলাইটগুলোকে স্থাপন করতে হয় বায়ুমণ্ডলের উপরে, অর্থাৎ মহাকাশে।মহাকাশে আপনার স্যাটেলাইটটি সুরক্ষিত আছে কি’না সেটা আজকের যুগে খুব জরুরী একটি বিষয়। এই স্যাটেলাইগুলো আবার সামরিক নজরদারির কাজেও ব্যবহার করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে গেলেও স্যাটেলাইট ছাড়া কোনো উপায় নেই। এজন্যই অ্যামেরিকা, চীন, রাশিয়াসহ পৃথিবীর শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে উঠেছে মহাকাশ গবেষণা। আর মহাকাশে যেহেতু সম্পদ রয়েছে, রয়েছে কৌশলগত স্বার্থ এবং আত্মরক্ষার মতো স্পর্শকাতর বিষয়, তাই মহাকাশ হয়ে উঠেছে রাজনীতির ময়দান। তাই আগামী দিনের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বুঝতে হলে বুঝতে হবে মহাকাশের রাজনীতি।
| বইয়ের নাম | দ্য ফিউচার অব জিওগ্রাফি |
| লেখক | টিম মার্শাল |
| প্রকাশনী | পুঁথি |
| আইএসবিএন | 978-984-8993-22-4 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 272 |
| সংস্করণ | 1st published, 2026 |
| বিভাগ | সাধারণ জ্ঞান |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।