গত পাঁচ বছর ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল লোকটা শিকাগো শহরে। কেউ চেনে না তাকে। এতগুলো খুন করেছে সে, তবুও কোনো ক্লু নেই কোথাও।
তার নাম দেয়া হয়েছিল ফোর মাঙ্কি কিলার।
এবার পাওয়া গেল তার লাশ।
আত্মহত্যা? নাকি মরার আগে কোনো একটা মেসেজ দিতে চেয়েছে ওই সিরিয়াল কিলার?
ডিটেকটিভ স্যাম পোর্টারের বিশ্বাস, শেষ যে-মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে ওই লোক, এখনও বেঁচে আছে বেচারী। কিন্তু কোথায়? এবং ওই মেয়েকেই কেন? ওর বোনকে না কেন?
পোর্টার জানে, ভয়ঙ্কর সেই লোক মরেও মরেনি আসলে। তাই লাশের পকেট থেকে যখন খুঁজে পেল একটা ডায়েরি, বুঝতে পারল, বিকৃত মস্তিষ্কের কারও জালে আটকা পড়ে গেছে।
ফুরিয়ে আসছে সময়। হাতে ক্লু বলতে তেমন কিছুই নেই বরাবরের মতো। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো এমন এক ব্যক্তিগত আঘাত হজম করতে হলো পোর্টারকে, যার জন্য প্রস্তুত ছিল না সে মোটেও।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই কেসের পরিণতিটা আসলে কী?
খুনির প্রকৃত পরিচয় শেষপর্যন্ত রহস্য হয়েই রয়ে যাবে না তো?