দ্য হোল ব্রেইন চাইল্ড
একটি শিশু জন্ম নেওয়াটা প্রাকৃতিক, কিন্তু তার বড় হয়ে ওঠাটা পারিবারিক ও সামাজিক। শিশু তার চারপাশের পরিবেশের বৈশিষ্ট্যগুলো আত্মস্থ করতে করতে বেড়ে ওঠে এবং এক্ষেত্রে মা-বাবার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অনুকরণেই গড়ে ওঠে শিশুর ব্যক্তিত্ব। শিশু পৃথিবীতে আসে সাদা খাতার মতো পরিষ্কার একটি মন নিয়ে, যেখানে মা-বাবা ও কাছের মানুষদের আচরণগুলোই প্রথম আঁকিবুকি কাটে। এই সংবেদনশীল সময়ে শিশুর আবেগ ও উত্তেজনা সামাল দিতে মা-বাবার সঠিক পথপ্রদর্শন অত্যন্ত জরুরি। ‘দ্য হোল ব্রেইন চাইল্ড’ বইটিতে মা-বাবাকে সেই সঠিক পথেরই দিশা দেওয়া হয়েছে।
দ্য ইয়েস ব্রেইন
দ্রুত গতির এই বিশ্বে সন্তানদের স্বাস্থ্য, সম্পদ ও সুখ নিশ্চিত করা অভিভাবকদের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। জীবনের চ্যালেঞ্জ ও সুযোগগুলোর মুখোমুখি হতে শিশুদের মধ্যে রক্ষণাত্মক মনোভাবের পরিবর্তে একটি ‘হ্যাঁ’ বা ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই ‘হ্যাঁ’ মনোভাবের মূল ভিত্তি হলো ভারসাম্য, স্থিতিস্থাপকতা, অন্তর্দৃষ্টি ও সহানুভূতি। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল জে. সিগেল এবং টিনা পেইন ব্রাইসন এই বইটিতে শিশুদের মধ্যে এই গুণাবলি বিকাশের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ও চিন্তাশীল উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বইটিতে অভিভাবকত্বের তিনটি বিশেষ পাঠ রয়েছে:
অল্প বয়স থেকেই শিশুদের আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখানো।
অন্য মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো বিষয়কে দেখতে শেখা।
শিশুদের মজ্জাগত স্বার্থপরতা এড়িয়ে সহমর্মিতা শিক্ষা দেওয়া।
তথ্যের উপচে পড়া এই বিশ্বে অভিভাবকত্ব ভীতিকর হতে পারে, তবে সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে সন্তানের ভবিষ্যৎ গঠন করা অনেক সহজ হয়ে যায়।