নাটকের শুরুতে দেখা যায়, অরেস্টিস তার শিক্ষককে নিয়ে আর্গস নগরীতে এক গ্রীষ্মের অপরাহ্নে প্রবেশ করে। সব বাড়ির জানালা দরজা বন্ধ, রাস্তায় কোনো লোক নেই। ছদ্মবেশী জীয়ুস তার কাছে জানতে পারে, আর্গসবাসীরা তাদের রাজা আগামেমননের হত্যার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে। আগামেমননকে হত্যা করেছে তার ভাই ইজিসথাস এবং সে প্রাক্তন রানিকে বিবাহ করেছে, অরিস্টিসের মনে হয়, আর্গস তার নিজের দেশ, অথচ নিজের দেশে সে বিদেশি। সে এমন কিছু করতে চায়, যাতে সে দেশের সঙ্গে একাত্ম হতে পারে।
তার বোন ইলেক্টার সঙ্গে তার দেখা হয় রং জানতে পারে, সে তার ভাইয়ের জন্য প্রতীক্ষা করে আছে। যে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবে। পরের দিন মৃতদের জন্য ভোজসভায় ইলেকট্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলে,
আর্গসবাসীদের রাজা ও রানি জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে এবং তারা কোনো অপরাধ করেনি, সব লোক চলে গেলে সে তার ভাইকে প্রতিশোধ নিতে বলে এবং অরেস্টিস দেবতার কাছে ইঙ্গিত প্রার্থনা করে। জীয়ুস সাদা পাথরে যে আলো ফেলে, তার অর্থ এই সে নিজে এই ভাবে করে যে, সে স্বাধীনচিত্ত মানুষ এবং তার কর্মপন্থা হবে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া। সে ইজিসথাস ও তার মাকে হত্যা করে। ইলেকট্রা এই হত্যার ভীষণতা ও তার জন্য দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করে; সে অনুশোচনা করে এবং জীযূস তাকে মাছিদের হাত থেকে রক্ষা করে। অরেস্টিস বলে স্বাধীনভাবে সে যা করেছে, তার সমস্ত দায়িত্ব তার এবং মাছিদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে সে আর্গস পরিত্যাগ করে।