পৃথিবীতে আবার বৃষ্টি নামবে,
জোনাকিরা আলো জ্বালাবে শ্রাবণ সন্ধ্যায়।
পৃথিবীর বয়স বাড়বে, হাজারো মানুষ আসবে, নিশ্চয়ই আসবে। চলেও যাবে। তবে যারা চলে যায়, তারাও ফিরে আসে ঝড়ের রাতে দমকা হওয়ার মতো। ছন্নছাড়া ডাহুকের মতো। আবার সেই ডাহুক যখন জলের ঘর থেকে খাঁচার ঘরে আসে তখন তারা জানালা খোঁজে, দক্ষিণদিকের সেই বিশাল জানালা। যে জানালার বাইরে হাত রাখলেই বৃষ্টি এসে শীতল করে উত্তপ্ত হৃদয়।
ঐযে দূরে দেখা যায় শান্তিনিকেতনের সেই বকুলফুলের গাছ। ফুলের সুবাস ছড়িয়ে যায় পূর্ণিমার রাতে। কেউবা আবার সেই পূর্ণিমা রাতের চার দেয়ালে বসে জীবনের শেষ লেখায় বলে যায়- শ্রাবণের শেষ রাতে হয়তো নতুন কোনো গল্প সৃষ্টি হতে পারতো। আমিও হতে পারতাম রবিঠাকুরের গান, গল্প কিংবা কবিতা, তবে- এই চিত্রা রবীন্দ্রনাথ লেখেননি।