খরা নেই। তবু একরের পর একর জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে। মসজিদ-মন্দিরে কৃষকের ভিড়। মানত। প্রার্থনা। কয়েকজন একসাথে জড়ো হলেই নিজেদের মধ্যে আসমানি কিংবা জমিনি বালা এই নিয়ে বাগ্বিতন্ডা শুরু হয়। যুবকরা এলাকার সব থেকে প্রবীণ কৃষকের দ্বারস্থ হলো। তিনি বললেন, “জমিনি বালা”। কিন্তু কোনও প্রতিকারের বাণী শোনাতে পারলেন না। এক সময় সব আশা শেষ হয়ে গেল। ক্ষেতে শস্যহীন ধান গাছগুলো খড় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সব কৃষকের কপালে যখন চিন্তার ভাঁজ তখন একজনার মুখে হাসি। তার নাম মোস্তাক।
মোস্তাক নিজে একজন সুদখোর এবং কৃষক। তাই ফসল ভালো হলে তার আনন্দ আর খারাপ হলে মহানন্দ। তার কাছ থেকে সুদে টাকা নেয়া লোকের সংখ্যা হু হু করে বাড়তে লাগলো। যখন অনুভব করল তার কোষাগারে টাকা টান পড়তে পারে তখন সে সুদের হার বাড়িয়ে দিলো দুই তিন গুণ। এরপরও তাকে দীর্ঘদিনের সুদাসল পরিশোধের মাধ্যমে গড়ে উঠা সম্পর্কের ভিত্তিতে টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হলো। কেউ টাকা নিতে এলে সে তার কালো পুরু ভুরু কুঁচকে কয়েক মিনিট ধরে তাকে নিরীক্ষণ করে। এরপর একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে **লোমশ ভুঁড়ি চুলকাতে চুলকাতে বলে,