মৃতদেহকে নিয়ে মানুষের চিরায়ত ভীতি দেখে বিস্মিত মর্টিশিয়ান কেইটলিন ডটি বিশ্বজুড়ে মৃতদের সৎকারের আচার জানতে অভিযানে নামেন। ফ্রম হেয়ার টু ইটার্নিটি আমাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেয় তেমনই অজানা কিছু প্রথার সাথে। সেই সাথে চিত্রশিল্পী ল্যান্ডিস ব্লেয়ারের অলংকরণ বইটিতে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। ইন্দোনেশিয়ার গ্রামে,তিনি একজনকে দেখেছেন দু’বছর ধরে বাসায় রাখা তার দাদার মমি হয়ে যাওয়া মৃতদেহকে পরিষ্কার করে পোশাক পরিয়ে দিতে। টোকিওতে অংশ নিয়েছেন জাপানিজ কৎসুয়েজ উৎসবে,যেখানে আত্মীয়রা শবের ছাই থেকে চপস্টিক দিয়ে প্রিয়জনের অস্থি তুলে আনে। পার্সিদের খোলা আকাশের নিচে দাফন থেকে বলিভিয়ার ধূমপায়ী,ইচ্ছাপূরণকারী খুলি পর্যন্ত,দুনিয়ার তাবৎ রীতি-রেওয়াজের ময়নাতদন্ত করে মৃতদের সম্মানের সাথে সৎকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন তিনি বুদ্ধিদীপ্ত ও রসাত্মকভাবে। আমেরিকায় শেষকৃত্যের বাণিজ্যিক আচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন,উৎসাহ দিয়েছেন এমন প্রথাকে যা শোকসন্তপ্ত পরিবারকে মৃতের সাথে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেয়। ফ্রম হেয়ার টু ইটার্নিটি- বিশ্বজুড়ে মৃত্যুদেহের শেষকৃত্ প্রক্রিয়ার এক অনন্য উপাখ্যান।