তাফসিরে বাইযাবী — হিজরি ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রণীত একটি সমৃদ্ধ, সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ অনবদ্য তাফসিরগ্রন্থ।
রচনাকাল থেকে অদ্যাবধি এই মূল্যবান গ্রন্থটি আহলে ইলমদের মাঝে পঠিত ও চর্চিত। সেই সূত্রে দরসে নিযামীতে এই তাফসিরটি দীর্ঘদিন যাবৎ পাঠ্যভূক্ত।
কোন কিতাব পাঠ-প্রারম্ভে সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের মানহাজ, উসলুব, স্তরবিন্যাস, বৈশিষ্ট্যবলি, তরয-তরিকা, কোন স্তরের তাফসির, প্রণেতা-পরিচিতি, ইলমী মহলে তাঁর মাআসির, তাফসিরটির গ্রহণযোগ্যতা, ব্যাখ্যাগ্রন্থ পরিচিতি — ইত্যাকার বিষয় নিয়ে নানা কৌতূহল সৃষ্টি হয়।
ফলে এই তাফসিরগ্রন্থের একটি মাদখাল তথা প্রবেশিকা সংকলন করা অতীব জরুরি ছিলো।
আলহামদুলিল্লাহ, ইলমী অঙ্গনে বিরাজমান এই শূন্যতা পূর্ণতা পেয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে তালিবুল ইলমের জন্য সুসংবাদ।
সিলেটের লব্ধপ্রতিষ্ঠ লেখক ও গবেষক মাওলানা আব্দুল কাদির মাসুম হাফি. এই গুরুভার সুনিপুণভাবে আঞ্জাম দিয়েছেন।
পুরো গ্রন্থটি দুটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন। প্রথম অধ্যায়ে উলুমুল কুরআন সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতিমালা উল্লেখ করেছেন।
দ্বিতীয় অধ্যায়ে ইমাম বাইযাবীর জীবনচরিত ও তাঁর অনবদ্য রচনা সম্পর্কে জরুরি আলোচনা করার প্রয়াস পেয়েছেন।