ঈমানের অপরিহার্য পাঠ
বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৮৪। অধ্যায় ১১ টি।
ঈমান আমাদের অস্তিত্বের শেকড়। দিকচিহ্নহীন প্রান্তরে বাতিঘর দেখে নাবিক যেভাবে গন্তব্য খুঁজে পায়, তেমনই ঈমানের আলো আমাদেরকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। তাই, আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনেই, ঈমানের পরিচয় ও গুরুত্ব জানা আবশ্যক।
এই বই আপনাকে জানাবে—ঈমানের পরিচয়, ঈমানের রোকনসমূহের ব্যাখ্যা, তাওহীদের বিবরণ, শির্কের ভয়াবহতা এবং আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর পরিচয় ইত্যাদি। এছাড়া পরকালীন জীবনের একটি সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইয়ে। সেই সাথে ঈমানের মৌলিক বিষয় তুলে ধরার পাশাপাশি কুরআন ও হাদীসের আলোকে ঈমান পরিপন্থী নিত্য-নতুন কুফর ও নিফাকের লক্ষণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
বইটিতে ঈমানের শাখা-প্রশাখা, আল্লাহর নিরানব্বই নাম এবং আধুনিক যুগের নিত্য-নতুন কুফরের আলোকে ঈমান ভঙ্গের কারণ বিষয়ে মৌলিক কাজ করা হয়েছে। সেই সাথে সময়ের সংশয় ও সংকটকে সামনে রেখে ঈমানের প্রয়োজনীয়তা ও সুফলের ওপর বর্ণনার আলো ফেলা হয়েছে।
ঈমান কীভাবে মানুষের পরিচয় নির্মাণ করে, অশান্ত হৃদয়ে প্রশান্তি দেয়, দুনিয়া ও আখিরাতের ভারসাম্য তৈরি করে—বইটির পাঠ আপনাকে সেই উপলব্ধির সামনেও দাঁড় করাবে। অস্থির সময়ে যিনি জীবনের অর্থ খুঁজছেন, সংশয়ের অন্ধকারের মাঝে খুঁজে ফিরছেন আলোর মঞ্জিল, তার জন্য এই বই একটি নতুন যাত্রার সূচনা।
যত্নে থাকুক সংসার
বিবাহ ও পারিবারিক বন্ধনের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠে সমাজের কাঠামো। যে সমাজের পারিবারিক বন্ধন যত দৃঢ়, সে সমাজ তত টেকসই ও সমৃদ্ধ। কারণ, পরিবারের উদ্যান থেকেই নতুন ফুলের জন্ম হয়। পরবর্তীতে সেই ফুলই পৃথিবীকে সুশোভিত করে।
পৃথিবীর জন্য প্রজন্ম রেখে যাওয়া বিবাহের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। যতদিন বিবাহ নামক পবিত্র বন্ধন অটুট থাকবে, ততদিন পৃথিবী টিকে থাকবে। তাই দাম্পত্য সম্পর্কের যত্ন নেওয়া প্রতিটি বিবাহিত নারী-পুরুষের অপরিহার্য নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য।
আমাদের না পাওয়ার অনেক বেদনা আছে, কিন্তু পারিবারিক জীবনে আমরা সুখী। তথ্য-প্রযুক্তি ও জাগতিক উন্নয়নে পশ্চিমারা আমাদের থেকে একশ বছর এগিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু সুখী পারিবারিক জীবনে আমরা তাদের থেকে দুইশ বছর এগিয়ে আছি। এটা আমাদের গর্বের জায়গা।।
তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, পশ্চিমা অপসংস্কৃতির ঝড়ে আমাদের এই গৌরবের মিনার আজ ভেঙে পড়ার উপক্রম। বিশ বছর আগেও একটি তালাকের ঘটনায় গোটা এলাকা নড়ে উঠত। এখন এমন একটা দিন যায় না, যেদিন দেশের কোথাও না কোথাও তালাকের ঘটনা ঘটে না। অনিয়ন্ত্রিত তালাকের ঘায়ে পরিবার নামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি আজ গভীর সংকটের মুখে। এটা সমাজের জন্য অশনিসংকেত।
অপরিণামদর্শী তালাকে স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়া দাম্পত্য-সম্পর্ক পুনরায় ফিরে পেতেও আকুলতার শেষ থাকে না। ক্ষণিকের আবেগী সিদ্ধান্তে আর একটি সংসারও যেন ভেঙে না যায় এবং তালাক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রচনা করা হয়েছে ‘যত্মে থাকুক সংসার’ বইটি।