রঘু ভাবল এবার শেষ চেষ্টা করে দেখা যাক। আজকাল মানুষের কাছে অসাধ্য বলে কিছু নাই। কী না করছে মানুষ? জীবন দেয়া ছাড়া সবকিছুই করে দেখাচ্ছে। আর সেখানে রঘু একটা বাচ্চা ছেলেকে হাসাতে পারবে না? অবশ্যই পারবে। দান দান শেষ দান,শেষ চেষ্টা। দুই হাত কপালে তুলে মনে মনে • ঠাকুরকে প্রণাম করল রঘু,’ভগবান আমার চাকরিটা রক্ষা করো। এই বুড়ো বয়সে চাকরি হারালে বউ ছেলেপুলেকে নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াব? হাসির গল্পটা মনে মনে ঝালাই করে নিল রঘু। গল্পটা মারাত্মক। রঘু যতবারই পরিচিতজনদের কাছে গল্পটা বলেছে ততবারই বাহবা পেয়েছে। কয়েকদিন আগে দারোয়ানদের এক আড্ডায় রঘু গল্পটা বলেছিল। নৈমুদ্দিনের মতো বড় মানুষটাও হেসে গড়াগড়ি খেয়েছে- রঘু আর না… এই থামতো ভাই।