ফ্ল্যাপে লেখা কথা
আমি যে-কথাটা বলতে চলেছি: এখন তারা তাদের মুকুটশোভিত দেবী পেয়েছে। -লিওনার্দো দিয়াজ
আজও জীবিত এমন কোনো লেখক নেই যিনি গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের মতো অমন মায়াবী আবেদন সৃষ্টি করতে পারেন। এখন আমাদের হাতে তাঁর বহু-প্রতীক্ষিত আত্মকথা এসে পৌঁছেছে যাতে তিনি আমাদের তাঁর ১৯২৭ সালে জন্ম থেকে ১৯৫০-এর দশকে তাঁর স্ত্রীর পাণি-প্রার্থনা করা পর্যন্ত কাহিনী শুনিয়েছেন। তার পরিণামে আমরা লাভ করেছি তাঁর লেখা সবথেকে চমৎকার গল্প ও উপন্যাসের মতোই একটি বিস্ময়কর কাহিনী। এখানে গার্সিয়া তাঁর শৈশবের আরাকাতাকার- যা তাঁর কাল্পনিক জনপদ মাকোন্দোর ভিত্তি -উচ্ছ্বল স্মৃতি তুলে ধরেছেন। এখানে উপস্থাপিত হয়েছেন তাঁর সৃষ্টিছাড়া পরিবারের আনন্দোচ্ছ্বল সদস্যরা। এখানে উপস্থাপিত হয়েছে সেইসব শক্তির কথা যা তাঁকে লেখক রূপে গড়ে তুলেছে। উষ্ণ, উদ্ভাসিত প্রতিচ্ছবিগুলো এমনই উচ্ছ্বল উজ্জ্বল যে আমাদের মনে হয় যেন আমরা আমাদের নিজেদের স্মরণ করছি, সেইঅর্থে লিভিং টু টেল দ্য টেল একটা মনোমুগ্ধকর সৃষ্টি।