কেন মানুষ লেখে! সহসা উত্তর আসে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই লেখে মানুষ। এই উত্তরে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার উপায় নেই। অতীতের আক্ষেপ, বিরহ-ব্যথা, ভালোলাগা, মন্দলাগার মাজেজা থেকেই মানুষ বিস্মৃত দৃশ্যগুলো শব্দের মণিহারে সাজায় পঙ্ক্তির পর পঙ্ক্তি দিয়ে। প্রত্যেকের আঙ্গিক, কৌশল, প্রয়োগ এবং প্রকাশের সুর ভিন্ন ভিন্ন হলেও প্রায় সকলেই তাঁর অতীত জীবনাচারের পাশাপাশি প্রকৃতি, প্রেমের দুঃসহ যন্ত্রণার সাথে সময়, সমাজ এবং মানবসৃষ্ট সমস্যাসংকুল অসঙ্গতি নিয়ে একপ্রকার দ্রোহের প্রতিবাদী উচ্চারণ শৈলী ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেন। কেউবা সরাসরি ভাব প্রকাশ করেন, কেউবা প্রতীকীস্বরে বিমূর্তভাব ছড়িয়ে দেন। পাঠে পাঠকের ভালোলাগা, মন্দলাগা কতটা, সেটাই মূল প্রশ্ন!
গুলশান চৌধুরী ও তার কতেক কবিতা এই ধ্যানের বাইরে নয়। তাঁর প্রথম কবিতার বই, ‘গৌরী কন্যা’ শুধুমাত্র ব্যক্তি নারীর অতীত আর্তনাদ নয়, আরও কিছু যা পাঠককে সরলভাবে টানবে বলেই প্রতীয়মান হয়।
— লিটন আব্বাস