কল্কেকাশি কোরিয়ান-বাঙালি ডিটেকটিভ। তিনি বিপুল বপু, খেতে ভালবাসেন। লেখকের নিজের ভাষায় “তপ্ত কল্কের মতো গনগনে আর কাঁসির মতো খনখনে দাপট কল্কেকাশির”।
মূলত হাস্যরসের মাধ্যমেই কেসের সমাধান করেন কল্কেকাশি। আদতে গোয়েন্দা হলেও, তার প্রতিটি গল্পের প্রধান উপজীব্যই হয় হাস্যরস।
কলকাতার নিকট ডায়মন্ড হারবার নিবাসী কল্কেকাশিকে আমরা প্রথম দেখতে পাই ‘টিকটিকির ল্যাজের দিক’ গল্পে। এছাড়াও তাকে নিয়ে রচিত অন্যান্য গল্প: ‘কল্কেকাশির কাণ্ড’, ‘কল্কেকাশির অবাক কাণ্ড’, ‘ইতরবিশেষ’ ও ‘সূত্র’। তার সবগুলো গল্প নিয়েই প্রকাশিত হচ্ছে, ‘গোয়েন্দা কল্কেকাশি সমগ্র’।
উল্লেখ্য, কল্কেকাশির গল্পে রহস্যের তুলনায় হাস্যরসাত্মক ব্যাপারগুলোর দিকেই মূল ফোকাস দেয়া হয়েছে। তাই সিরিয়াস কোনো গোয়েন্দা গল্প ভেবে পড়তে বসবেন না, তাহলে হতাশ হবেন। নিখাঁদ হাসির গল্প ভেবে পড়ুন, উপভোগ করবেন।