আমরা আমাদের ভাষায় ‘কথাবার্তা, আলাপচারিতা ও বাক্যালাপ’ বলে যে অর্থ বুঝি, আরবী ভাষায় সেই অর্থেই حدیث ]হাদীস] শব্দ বোঝা হয়।
যেহেতু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাবার্তা ও বাক্যালাপের মাধ্যমে আল্লাহর পয়গাম তাঁর বান্দাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, নিজের ভাষণ ও বয়ানের মাধ্যমে আল্লাহর কিতাবের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেছেন, নিজে তার ওপর আমল করিয়ে দেখিয়েছেন, এভাবে যেসব বিষয় নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে ঘটত এবং তিনি তা শুনে মৌনতা অবলম্বন করতেন, যার মাধ্যমে তাকেও দ্বীনের অংশ মনে করা হতো।
কারণ হলো, যদি সেগুলো দ্বীনের চেতনার পরিপন্থী হতো তাহলে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই তার সংশোধন করতেন বা নিষেধ করতেন, এ কারণে এগুলোর সামষ্টিকতাকে এক শব্দে أحاديث ]আহাদীস] নামে অভিহিত করা হয়।