ভাঁড় তো সে-ই যে মানুষকে তার কথায় আর কাজে হাসিয়ে মারে। গোপাল ভাঁড়ের কাহিনিগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন আনন্দ দিয়ে যাচ্ছে। ১৯১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়। গোপাল ভাঁড়কে নিয়ে অবশ্য বহু রকমের ভাবনা আছে-তিনি ছিলেন নাকি ছিলেন না? তিনি থাকুন কিংবা না-ই থাকুন, তাঁর গল্পগুলো কিন্তু ছিল এবং থাকবে। এই সংকলনটিও তেমনই চিরায়ত হাস্যরসে পরিপূর্ণ।