সুকুমার-রচনাবলি ও সিগনেট প্রেস শিরোনামটা নিয়েছি কবি অমিয় চক্রবর্তীর প্রবন্ধ থেকে, যেটি তিনি ১৯৪৩ সালে কলকাতার সিগনেট প্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পড়েছিলেন। দিলীপকুমার গুপ্তের. এই সিগনেট প্রেসই 'মুমূর্ষু' সুকুমার রচনাবলিকে নতুন জীবন দান করে। মুমূর্ষু কেন সেটা লীলা মজুমদার, বুদ্ধদেব বসু, অশোক মিত্র প্রমুখের খেদোক্তি থেকে বোঝা যাবে। প্রথমে একই ঘরানার লীলা মজুমদার (১৯০৮-২০০৭): 'এখন মনে হয় ওই সময়ে সুকুমারের (১৮৮৭-১৯২৩) জন্য এ দেশটা প্রস্তুত ছিল না।... মাঝে মাঝে ভাবি সুকুমারের কাব্যসম্ভারেরও সেই দশা হয়ে উঠেছিল। উপভোগ করার তেমন মানুষ ছিল না বলে আমার মনে হয়। অথচ তাঁর নিকট বন্ধুদের মধ্যে অনেক জ্ঞানী গুণীও ছিলেন। কালিদাস নাগ (১৮৯১-১৯৬৬), সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ও (১৮৯০-১৯৭৭) কি তাঁকে শুধুমাত্র উঁচু দরের বিদূষক বলে মনে করতেন? তাঁরাও কি ঐ হাস্যকৌতুকের অন্তরালে কোনও গভীর দার্শনিকতার অস্তিত্ব সন্দেহ করেন নি? ছোটোদের জন্য লোকটি হাসির গল্প কবিতা নাটক লেখে, এই বলে তাঁকে ছেড়ে দিতেন?
| বইয়ের নাম | হাস্যশিল্পী |
| লেখক | সুকুমার রায়, আবদুশ শাকুর |
| প্রকাশনী | বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র |
| আইএসবিএন | 9841803526 |
| ভাষা | bangla |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 256 |
| সংস্করণ | 3rd Edition, 2015 |
| বিভাগ | Humor Stories |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।