হেল্পফুল হাজবেন্ড
ত্রীর প্রতি স্বামীর ভূমিকা হালো স্নেহ, সম্মান ও দায়িত্বশীলতার। একজন ভালো স্বামী হিসেবে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য উত্তম ও মধুর আচরণ করা। স্ত্রীর প্রতি সর্বদা দয়া, সহানুভূতি ও ভালো ব্যবহার করা। যা সুখী দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি। সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীর জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও উপযুক্ত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা 'স্বামীর কর্তব্য।
বিয়ের পর যত দ্রুত সম্ভব স্ত্রীর দেনমোহর (মোহরানা) পরিশোধ করে দেওয়া স্বামীর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। পারিবারিক কাজকর্মে স্ত্রীকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা এবং তার প্রতি যত্নশীল হওয়া। বিশেষ করে, স্ত্রী অসুস্থ হলে তার সেবা করা। স্ত্রীকে মানসিক সমর্থন দেওয়া, তার মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং তার বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়া। পারিবারিক বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে স্ত্রীর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তার সাথে পরামর্শ করা। স্ত্রীর কোনো আচরণ অপছন্দ হলে ধৈর্যধারণ করা এবং ভুলচুক ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা। কারণ, কোনো মানুষই পরিপূর্ণ নয়। স্ত্রীর সব ধরনের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট থাকা এবং তাকে সব ধরনের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দেওয়া। স্ত্রীকে নৈতিক ও ধর্মীয় কাজে উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া। এইসব ভূমিকাগুলো পালনের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক
আরও গভীর, আন্তরিক ও শান্তিময় হয়ে ওঠে। বিস্তারিত আলোচনার মধ্যে দিয়ে বইটি মলাটবদ্ধ করা হয়েছে। যা সুখময় দাম্পত্য জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বের দাবী রাখে
হেল্পফুল ওয়াইফ
স্বামীর প্রতি স্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে, যা একটি সুখী ও সফল দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য। স্বামীর প্রতি স্ত্রীর প্রধান ভূমিকা ও দায়িত্ব স্বামীর প্রতি আনুগত্য ও গভীর সম্মান প্রদর্শন করা। তার বৈধ আদেশ মেনে চলা এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া। স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার ঘর-সংসার ও সম্পদের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ করা। এটি স্ত্রীর বিশ্বস্ততার প্রতীক।
সন্তানদের যত্ন নেওয়া, তাদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্বামীকে সহযোগিতা করা। স্বামীকে মানসিক শান্তি দেওয়া এবং তার প্রয়োজনের প্রতি যত্নশীল হওয়া। স্বামীর দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকা এবং তাকে সাহস যোগানো। স্বামীর উপার্জনের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এবং পরিবার পরিচালনায় মিতব্যয়ী হওয়া।
স্বামীর সামর্থ্যের বাইরে কোনো দাবি না করা। স্বামীর জন্য নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও আকর্ষণীয় রাখা, যাতে স্বামী তার প্রতি আগ্রহী থাকেন। স্বামীর পরিবারের সদস্য (যেমন: বাবা-মা, ভাই-বোন) এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং সম্পর্ক ভালো রাখা। স্বামীর কাজ, লক্ষ্য এবং ভালো উদ্যোগে সমর্থন জানানো ও তাকে উৎসাহিত করা। স্বামীর কঠিন সময়ে, আর্থিক সমস্যায় বা অসুস্থতায় ধৈর্য ধারণ করা এবং সহানুভূতিশীল হওয়া। তাছাড়া স্ত্রীর ভূমিকা হলো স্বামীকে সবদিক থেকে সহায়তা করা, ভালোবাসা দেওয়া এবং সংসারের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করা।
বিস্তারিত আলোচনার মলাটবদ্ধ রূপই 'হেল্পফুল ওয়াইফ' বইটি। যা আপনার সুখময় দাম্পত্য জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বের দাবী রাখে।