যেদিন ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দু'জন শিখ দেহরক্ষীর হাতে নিহত হলেন, সে- দিনটি ছিল অক্টোবর ৩১, ১৯৮৪ সন। সেদিন একটি যুগের অবসান হল। "দি ইকোনমিস্ট” পত্রিকা তাঁকে "নৃপতি, দেবী-মূর্তি, সাহসের-রানী" বলে উল্লেখ করেছে। তিনি ভারতীয় রাজনৈতিক মঞ্চে ১৮ বছর ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দেশের প্রতিটি কোণে কোণে, ভারতের বিভিন্ন শ্রেণীর, ধর্মমতের এবং রাজনৈতিক মতের মানুষেরা তাঁকে হারানোর গভীর বোধ থেকে কষ্ট পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নৃশংস হত্যার ফলে দেড় দশক ধরে যে দেশটাকে তিনি এগিয়ে নিয়ে গেছেন, সে দেশের সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সব চুক্তিগুলো স্তব্ধ হয়ে গেল। সাহস এবং সংকল্প ছিল সে চুক্তির ভিত। এবং সেগুলো কখনো ভারতের একতা এবং অখন্ডতা বিপন্ন হবার অনুভূতির চেয়ে বড় কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়নি।