আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস
মহান আল্লাহ কিছু মানুষকে নেতৃত্বের অসাধারণ যোগ্যতা দিয়ে সৃষ্টি করেন। সেই যোগ্যতার মাধ্যমে তাঁরা মানবহৃদয়ে লুকিয়ে থাকা জ্বলনোন্মুখ অঙ্গারকে মুহূর্তেই স্ফুলিঙ্গে পরিণত করতে পারেন। সুপ্ত চেতনাকে আন্দোলনে রূপ দিতে পারেন; যা দ্বারা একটি সফল বিপ্লব সাধিত হয়।হ্যাঁ, আন্দোলন-সংগ্রামে অনেকের উপস্থিতি থাকে; কিন্তু আন্দোলনের জন্য তাদের কে উদ্ বুদ্ধ করল? কে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাল? উম্মাহর জন্য নিজের ধনসম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা কে তৈরি করল? আরও এগিয়ে বলতে হবে-অনুসৃত রাস্তা তাদের কে দেখাল? তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য কে স্থির করে দিলো?
সুলতান আবদুল হামিদ খান ও উসমানি খিলাফত পতনের ইতিহাস
সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ সোনায় মোড়া একটি নাম, এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের স্মারক, জাগৃতির এক অনুপম চেতনা। তাঁর জীবনাচার সংবলিত এই বইয়ের পরতে পরতে পাবেন রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। জানতে পারবেন ধর্মনিরপেক্ষবাদী কামাল পাশাদের গাদ্দারির ইতিহাস। প্রতিটি পাতার কালো অক্ষরগুলো যেন খিলাফতহারা ও েশাকে মুহ্যমান উম্মাহর অব্যক্ত বেদনার প্রতিনিধিত্ব করছে।বইটিতে আরও পাবেন মুসলিম উম্মাহকে খিলাফতবিহীন করতে পেরে পাশ্চাত্যসমাজ যে নগ্ননৃত্যের মঞ্চায়ন করেছিল, তারই এক যথার্থ বিবরণ। দ্বিতীয় খিলাফতে রাশিদার নেতৃত্বদানের স্বপ্নদ্রষ্টাদের জন্য এখানে রয়েছে উত্তম পাথেয়, সুন্দর আগামী সাজানোর সোনালি শিক্ষা। রয়েছে চারদিকের শত্রু থেকে আত্মরক্ষার কৌশল।
দ্য প্যান্থার
ইতিহাসের এক ঝড়োরাত্রির ছবি আঁকা হয়েছে “দ্য প্যান্থার”-এ। ক্রুশ ও ক্রিসেন্টের মহাযুদ্ধে তখন আরবজাহান কম্পমান। মহান সালাহউদ্দিন আইয়ূবি রাহ.’র জীবনপ্রদীপ নির্বাপিত। ক্রুসেডাররা গোটা আরবকে গিলে খেতে বিপুল উদ্যমে ফের ঝাঁপিয়ে পড়লো। তখনই জাগরণ বীরযোদ্ধা বাইবার্সের। তার জীবন এক থ্রিল; থ্রিলের চেয়েও অধিক। তিনি এক মরুঝড়, উত্তাল জোয়ার। যার মোকাবেলা করতে না পেরে ক্রুসেডারদের সকল প্রয়াস বুমেরাং হয়ে তাদের পাঁজরেই আঘাত করে। বাইবার্সের হাতেই নিশ্চিত হয় তাদের চূড়ান্ত পতন।
সুলতান দ্য গ্রেট মুহাম্মাদ আল ফাতিহ
অটোমান সাম্রাজ্য মুসলমানদের স্বর্ণালি ইতিহাসের এক বর্ণালি নাম। উসমানি খেলাফত নামেই মূলত পরিচিত এই শাসনকাল। যে নাম শোনার সাথে সাথে আনন্দে নেচে ওঠে প্রাণ। ঝলমল করে ওঠে হৃদয়ের উঠোন। চোখ মুদলেই দেখা যায় নিকোপোলিসের ময়দানে বায়েজিদ ইলদারামের মুগুরের আঘাতে ভেড়া-বকরির ন্যায় পলায়নপর ক্রুসেডারদের নাজেহাল দৃশ্য। ভেসে ওঠে সুলায়মান কানুনি কর্তৃক ভিয়েনার দ্বারে করাঘাতের ছবি।
সেলজুক ইগল : সুলতান মালিকশাহ সেলজুকি
পিতৃতুল্য উসতাজ ও উজিরে আজম নিজামুল মুলক তুসির শাহাদাতে জ্বলে উঠেছেন নিশাপুরের ইগল খ্যাত সুলতান মালিকশাহ সেলজুকি। কাজবিনের সবুজ উপত্যকার আলমুত দুর্গ ঘিরে কৃষ্ণগহ্বরের মতোই জট পাকানো ফিতনার গোড়া উপড়ে ফেলতে পাঠিয়ে দেন আরসালান, বাদরান ও বারসাক নামের সিংহত্রয়ীকে।
সমুদ্র ঈগল
সমুদ্র ঈগল’ সালতানাতে উসমানিয়ার মহান সুলতান সুলায়মান এবং তাঁর নৌ-সেনাপতি খাইরুদ্দিন বারবারুসার জীবনীভিত্তিক ইতিহাস। এঁরা ছিলেন তৎকালীন ইউরোপীয়দের জন্য জীবন্ত দুই আতঙ্কের নাম। সুলায়মান যেমন স্থলভাগে ইউরোপের ৮০০ মাইল ভেতরে ঢুকে ভেঙ্গে দিয়েছিলেন তাদের শক্তির মেরুদণ্ড, তেমনি সাগরে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছিলেন খাইরুদ্দিন বারবারুসা।
দ্য লিজেন্ড (সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি)
খলিফা মনসুর, হারুনুর রশিদ, মামুনুর রশিদ ও মুতাসিম বিল্লাহের পর খেলাফতে আব্বাসিয়ার প্রতিটি স্তম্ভ ও কড়িকাঠে পতনের যে ঘুনপোকা লেগেছিল, তা নিঃসাড় ও নিষ্প্রাণ করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় খেলাফতের কাঠামো। তখন সাত সমুদ্দুর পাড়ি দিয়ে এশিয়ায় আসতে চাইছিল মাংসাসী ক্রুসেডীয় শৃগালের পাল। কিন্তু সুলতান মালিকশাহ সালজুকি নামক এক মুসলিম সিংহের ভয়ে সাহস করে উঠতে পারেনি তখন।
লায়ন অব দ্য ডেজার্ট
উসমানি খিলাফতের প্রাণ তখন ওষ্ঠাগত প্রায়। তখনই সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা শকুনগোষ্ঠীর লোভাতুর চোখ গিয়ে পড়ে খেলাফতের অধীনস্থ আফ্রিকার মুসলিম ভূখণ্ডগুলোর ওপর। তারা এসব ভূখণ্ডকে রাজাবিহীন রাজ্য হিসেবে ধরে নেয়। ইতালি ঝাঁপিয়ে পড়ে লিবিয়ায়। ১৯১১ সালে লিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে নোঙর করে ইতালিয়ান রণতরীগুলো। পিঁপড়ের মতো বেরিয়ে আসে হাজার হাজার ইতালিয়ান সৈন্য।